in

কিভাবে ধৈর্যশীল হওয়া যায়?

ছোটবেলা থেকেই বইয়ের পাতায়, জ্ঞানীদের মুখে শুনে এসেছি “ধৈর্য্য মহৎ গুণ”। ধৈর্য্যশীল ব্যক্তি তার চার পাশের সবার থেকে আলাদা হয়। তাই কেউ নিজেকে ধৈর্য্যশীল হিসেবে গড়ে তুলতে চাইলে তাকে অনেক বেশি অনুশীলন করতে হয়। ধৈর্য্যশীল হওয়া আর সাধক হওয়া অনেকটা কাছাকাছি। সব সাধকেরই প্রচুর ধৈর্য্য থাকে।
যে কোন বিষয়ে অনেক সময় পর্যন্ত প্রতিক্ষার প্রহর যিনি গুনতে পারেন, অনেক অবহেলা যিনি সইতে পারেন, শত কষ্টে কিংবা বিপদের সময়েও যিনি বিচলিত নন তিনিই ধৈর্য্যশীল। এত সহজ যে নয় তা বোঝা গেল? তবে খুব বেশী ধৈর্য্যশীল হবার দরকার এই মূহুর্তে নেই। শুরু করার জন্য ছোটখাট বিষয়ের বা পরিস্থিতি গুলোর দিকে আগে নজর দিন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এই ছোটখাটো বিষয়গুলোই-

Related image

১. পুরো বক্তব্য শোনাঃ কেউ আপনাকে অনেক কথা শোনাচ্ছে এমন অবস্থায় কথায় কথায় উত্তর না দিয়ে পুরো কথা শুনতে পারা হচ্ছে ধৈর্য্যশীলের কাজ। যার সাথে কথা বলছেন তার বক্তব্য শুনুন। কথায় কথায় উত্তর দিয়ে ঝামেলা এবং সময় নষ্ট করার চেয়ে ধৈর্য্যশীল হয়ে পুরো বক্তব্য শুনুন। ধৈর্য্যশীল হবার পরিচয় দিন। অনেকেই পুরনো অভ্যাসের কারনে কারো কথা শেষ হবার আগেই কথা শুরু করেন। এজন্য অনেক ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। তাই কথা বলার আগে কথা শুনুন।

Image result for thinking

২. সব পরিস্থিতিতে চিন্তা করতে শিখুনঃ যে কোন সময় পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক না কেন আপনাকে সুস্থ্য মাথায় চিন্তা করতে হবে। উপায় বের করতে হবে। খারাপ পরিস্থিতি কেন হলো, কিভাবে হলো একবার চিন্তা করলেও আপনার মনে নতুন উপায় আসতে পারে। বেরিয়ে আসার পথ খুঁজুন। পরিস্থিতি যত বেশি খারাপ তত দ্রুত ভাবতে থাকুন। চার পাশের দিকে মনোযোগ দিলে কিছু একটা উপায় মাথায় আসতে পারে। নিজের জন্য ভাবুন, পরিস্থিতিতে কারো ক্ষতি যেন না হয় তার দিকে ভাবুন। মনে সাহস আর সততার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। সততার পরিচয় দিতে পারলে নিজেই নিজের জন্য বাহবা দিতে পারবেন।

Image result for dont care

৩. তিরষ্কার শুনতে প্রস্তুত থাকাঃ একটা কমন কথা আমরা সকলেই জেনে থাকি যে সামাজিক শ্রেনী বিশেষে আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষেই অন্যকে তিরষ্কার করতে পছন্দ করেন। তারা মজা পেয়ে বার বার একই কাজ করেন। বেশি মজা পায় তখনই যখন ঐ ব্যক্তি ক্ষেপে যায়। এজন্য এক্ষেত্রে ধৈর্য্য অনেক বেশি সহায়ক। অনেকেই বুঝে না বুঝে কথা বলে তিরষ্কারের চেষ্টা করেন। সেসব ক্ষেত্রে ধৈর্য্যের বাঁধ টিকিয়ে রাখা দ্বায় হয়ে যায়। তাই তিরষ্কার শুনতে প্রস্তুত থাকুন।

Image result for stay calm

৪. অস্থিরতা পরিহার করুনঃ ধৈর্যহীনতার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অস্থিরতা। অস্থিরতা হচ্ছে অধৈর্য্যতার অন্যতম কারন। এর জন্য মানুষের ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য অনেকাংশে দ্বায়ী। একে রাতারাতি পরিবর্তন করা যায় না। তারপরেও ধৈর্য্যশীল ব্যক্তিগন একে জয় করেছেন। অস্থিরতা পরিহার করেছেন। এজন্য মেডিটেশন করা যেতে পারে। মেডিটেশন নিয়মিত করলে অস্থিরতা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

\

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *